Feb 27, 2025

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫

 

jobs-in-ansar


আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ – ২৭১ পদে আবেদন করুন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ২০২৫ সালের জন্য নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এবার ৩১টি ক্যাটাগরির পদে মোট ২৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।


নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

** প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী

** পদের সংখ্যা: ৩১টি ক্যাটাগরি

** মোট শূন্যপদ: ২৭১ জন

** আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন

** আবেদন শুরুর তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

** আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৫


# যোগ্যতা ও শর্তাবলী

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির জন্য আলাদা যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণত শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিক মানদণ্ড ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রার্থীদের নির্বাচন করা হবে।

বয়সসীমা: আবেদনকারীদের বয়সসীমা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত থাকবে, যা নির্দিষ্ট পদের জন্য আলাদা হতে পারে।


# আবেদন প্রক্রিয়া

১. প্রার্থীদের আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.ansarvdp.gov.bd) যেতে হবে।

2. নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

3. আবেদন ফি পরিশোধের পর আবেদন নিশ্চিত করতে হবে।

4. আবেদনের সময় নির্ধারিত ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে।


# নিয়োগ পরীক্ষা ও বাছাই প্রক্রিয়া

নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা এবং শারীরিক সক্ষমতা যাচাই হতে পারে। নির্বাচিত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা পরে প্রকাশ করা হবে।


# শেষ কথা

যারা বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে চাকরি করতে আগ্রহী, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করুন। নিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো আপডেটের জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

বিস্তারিত জানতে আনসার ও ভিডিপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন: www.ansarvdp.gov.bd

আপনি কি এই চাকরির জন্য আবেদন করবেন? মতামত জানাতে পারেন!




আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

রমজানে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল


good deeds during ramadan


 রমজানে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল: আত্মশুদ্ধির সেরা সুযোগ

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বান্দাদের জন্য অফুরন্ত রহমতের দরজা খুলে দেন। রমজানের মূল উদ্দেশ্য হলো আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জন। তাই এই পবিত্র মাসে কিছু বিশেষ ইবাদত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। আসুন জেনে নিই, রমজানে সর্বশ্রেষ্ঠ আমলসমূহ কী কী।

---

১. রোজা রাখা – প্রধান ইবাদত

রমজান মানেই রোজা। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন—

"হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)

রোজা শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণা থেকে বিরত থাকার নাম নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধির অন্যতম মাধ্যম। সঠিক নিয়তে ও ইখলাসের (নিষ্ঠার) সঙ্গে রোজা রাখলে আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা করে দেন এবং জান্নাতের দ্বার উন্মুক্ত করেন।

---

২. নামাজ আদায় – ফরজ ও নফল

রমজানে পাঁচওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া উত্তম। বিশেষত:

তারাবিহ নামাজ: রমজানের বিশেষ নামাজ, যা রাতের ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাহাজ্জুদ: রাতের শেষ ভাগে উঠে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।

আওয়াবিন, চাশত ও তেহিয়াতুল ওজু: এসব নফল নামাজ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়ক।

---

৩. কুরআন তিলাওয়াত – সবচেয়ে বরকতময় আমল

রমজান কুরআন নাজিলের মাস। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন—

"রমজান মাসই হলো সে মাস, যাতে নাজিল করা হয়েছে কুরআন।" (সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)

এই মাসে কুরআন তিলাওয়াত, এর অর্থ বোঝা ও তাফসির অধ্যয়ন করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রাসুল (সা.) নিজেও এ মাসে জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে কুরআন খতম করতেন।

---

৪. বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার

রমজান মাস দোয়া কবুলের মাস। আল্লাহ তাআলা বলেন—

"আমি বান্দার ডাক শুনি, যখন সে আমাকে ডাকে।" (সূরা আল-বাকারা: ১৮৬)

এই মাসে নিম্নোক্ত দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়া উচিত:

"আস্তাগফিরুল্লাহ" – আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

"রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ..." – দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণের দোয়া।

"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি" – লাইলাতুল কদরের দোয়া।

---

৫. দান-সদকা ও জাকাত প্রদান

রমজানে দান-সদকার ফজিলত অনেক বেশি। রাসুল (সা.) বলেছেন—

"সদকা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে।" (তিরমিজি)

এই মাসে যারা অভাবী, দরিদ্র ও অসহায় তাদের সাহায্য করা উচিত। জাকাত ও ফিতরার মাধ্যমে গরিবদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

---

৬. লাইলাতুল কদরের ইবাদত

রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো বিশেষ গুরুত্বের অধিকারী, কারণ এই সময় লাইলাতুল কদর রয়েছে। আল্লাহ বলেন—

"লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।" (সূরা আল-কদর: ৩)

এ রাতে বেশি বেশি নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও ইস্তিগফার করা উচিত।

---

৭. ইতিকাফ – আত্মশুদ্ধির অন্যতম মাধ্যম

রমজানের শেষ দশকে মসজিদে ইতিকাফ করা রাসুল (সা.)-এর একটি বিশেষ সুন্নাত। ইতিকাফের মাধ্যমে মানুষ দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হয়ে একান্তভাবে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন হতে পারে।

---

উপসংহার

রমজান মাস হলো ইবাদতের সেরা সময়। এই মাসে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে রোজা পালন, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও অন্যান্য আমল বাড়ানোর জন্য। যারা রমজানকে যথাযথভাবে কাজে লাগাবে, তারা অবশ্যই আল্লাহর রহমত ও জান্নাতের সুখবর পাবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই বরকতময় মাসের সর্বোত্তম আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন। আমিন!




আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

পরকীয়ার কারণে ভাঙনের মুখে গোবিন্দ-সুনীতার ৩৭ বছরের সংসার

 

Govinda Sunita family

পরকীয়ার কারণে ভাঙনের মুখে গোবিন্দ-সুনীতার ৩৭ বছরের সংসার?


বলিউডে সুখী দম্পতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন অভিনেতা গোবিন্দ ও তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা। দীর্ঘ ৩৭ বছরের দাম্পত্য জীবনে তারা একে অপরের পাশে থেকেছেন, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরার গুঞ্জন চাউর হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দাম্পত্য ভাঙনের মূল কারণ হতে পারে পরকীয়া!


গোপন বিয়ে থেকে দাম্পত্য জীবনের চড়াই-উৎরাই

গোবিন্দ যখন বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন, তখন তার বিয়ের কথা গোপন রেখেছিলেন। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, যদি তার ভক্তরা জানেন যে তিনি বিবাহিত, তবে তার জনপ্রিয়তায় প্রভাব পড়তে পারে। তিন বছর পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেন যে, তিনি বিবাহিত এবং স্ত্রী সুনীতার সঙ্গে সংসার করছেন। এরপর দীর্ঘ সময় তারা একসঙ্গে সুখী দম্পতি হিসেবে জীবন কাটান।

কিন্তু বছরখানেক ধরেই শোনা যাচ্ছিল, তারা একসঙ্গে থাকছেন না। সুনীতা সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে ফ্ল্যাটে থাকেন, আর গোবিন্দ একা থাকেন তার বাংলোয়। তাদের এই আলাদা থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন তীব্র হয়েছে।


পরকীয়ার অভিযোগ!

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গোবিন্দ এখন তার মেয়ে টিনার চেয়ে বয়সে ছোট এক মারাঠি অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এই সম্পর্কই তাদের সংসারে টানাপোড়েনের অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে গোবিন্দ বা সুনীতা কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।


পরিবারের প্রতিক্রিয়া

গোবিন্দের ভাগ্নি আরতি সিং এই বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, "আমার মামা-মামির সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী, এটা গুজব ছাড়া কিছুই নয়।" একইভাবে গোবিন্দের ভাগ্নে কৃষ্ণা অভিষেকও দাবি করেছেন, "এটা একেবারেই অসম্ভব, তাদের বিচ্ছেদ হবে না।"


বিশ্বাস হারিয়েছেন সুনীতা?

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সুনীতা জানান, তিনি এখন আর গোবিন্দকে আগের মতো বিশ্বাস করতে পারেন না। তার কথায়, "আগে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্কে নিরাপদ অনুভব করতাম, কিন্তু এখন আর তা করি না। এখন ওর বয়স ৬০-এর বেশি, জানি না, কখন কী করবে!"

তিনি আরও বলেন, আগে কাজের ব্যস্ততার কারণে পরকীয়ার সম্ভাবনা ছিল না, কিন্তু এখন তো গোবিন্দ কাজের চাপে নেই, তাই তার মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।


তাহলে কি সত্যিই বিচ্ছেদ?

যদিও বলিউডের ভেতর থেকে অনেকেই বলছেন, এটা নিছক গুঞ্জন, তবু বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে—গোবিন্দ ও সুনীতার ৩৭ বছরের সংসার কি সত্যিই ভেঙে যাচ্ছে, নাকি এটি শুধুই একটি গুজব? সময়ই দেবে সেই প্রশ্নের উত্তর।

আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

বেক্সিমকোর ৪০০ কোটি টাকা ঋণের অনুরোধ

 

beximco-loan-request-400-crore

বেক্সিমকোর ৪০০ কোটি টাকা ঋণের অনুরোধ: কারখানা বন্ধ না করতে সরকারের প্রতি আবেদন

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো টেক্সটাইলস বর্তমানে একটি বড় অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সরকারের কাছে ৪০০ কোটি টাকা সিসি (কারেন্ট ক্রেডিট) লোন সহায়তার আবেদন করেছে, যার মাধ্যমে তারা তাদের শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে এবং কারখানাগুলো কার্যক্রমে রাখতে সক্ষম হবে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি, বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওসমান কায়সার চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে তাদের রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো বন্ধ না করার আবেদন করেছেন। তাদের দাবি, যদি প্রতি মাসে ১০০ কোটি টাকা হারে মোট ৪০০ কোটি টাকা সিসি লোন সহায়তা দেওয়া হয়, তবে তারা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়মিতভাবে পরিশোধ করতে পারবে এবং কারখানাগুলো সচল রাখতে সক্ষম হবে।


কর্মকর্তাদের দেনা-পাওনা পরিশোধের অনুরোধ

বেক্সিমকো টেক্সটাইলস জানিয়েছে, তাদের শ্রমিক-কর্মচারীদের মোট দেনা-পাওনা প্রায় ৫৫০-৬০০ কোটি টাকা। এই পরিমাণ অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কর্মচারীদের সমস্ত পাওনা পরিশোধ করতে চায়, যাতে কর্মচারীদের মধ্যে কোন ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হয়। তারা সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে এই ঋণ সহায়তার মাধ্যমে তাদের কারখানাগুলো চালু রাখতে সাহায্য করা হয়।


ঋণ সহায়তা এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সুবিধা

বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের এমডি তার চিঠিতে আরও উল্লেখ করেছেন যে, সরকার এবং ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় ৪০০ কোটি টাকার সিসি লোন সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সুবিধা চালু করা হলে, কারখানাগুলো আবারও পুরোদমে চালু রাখা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে, তারা সরকারের কাছ থেকে এই সুবিধাগুলি দ্রুত কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়েছে।


ভুল তথ্য ও গ্রুপটির অবস্থান

বেক্সিমকো গ্রুপ চিঠিতে আরও দাবি করেছে যে, তাদের বিরুদ্ধে যে ৪৫,০০০ কোটি টাকা ঋণের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা ভুল। প্রকৃত ঋণ পরিমাণ ২৮,০০০ কোটি টাকা, যা জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে বেক্সিমকো টেক্সটাইল ডিভিশন নেওয়া ঋণের পরিমাণ। বেক্সিমকো দাবি করছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ রপ্তানি করছে এবং গত ছয় বছরে গড়ে মাসিক ৩২ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করেছে। ২০২২ সালে এই পরিমাণ ছিল ৫৯ মিলিয়ন ডলার।


গ্রুপের ভবিষ্যত এবং সংকটের মুখে সহায়তা প্রয়োজন

বেক্সিমকো গ্রুপ তার চিঠিতে উল্লেখ করেছে, সরকার এবং ঋণদাতা ব্যাংকের সহযোগিতায় তারা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প পার্ক গড়ে তুলেছে, এবং তা এখন সংকটের মুখে রয়েছে। বেক্সিমকো আশা করছে, তাদের এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে এবং কারখানাগুলো সচল রাখতে সরকার ও ঋণদাতাদের সহায়তা প্রয়োজন।

এই সংকটের মধ্যে, বেক্সিমকো টেক্সটাইলস ৪৫,০০০ কর্মীকে কাজে নিয়োজিত রাখলেও বর্তমানে তাদের সংখ্যা ৩৫,০০০-এ নেমে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি যে পরিস্থিতিতে রয়েছে, তাতে তারা সরকারের সহায়তায় আশা প্রকাশ করছে, যাতে তাদের শ্রমিক-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান বজায় থাকে।

পরিশেষ

বেক্সিমকো গ্রুপের এই আবেদন দেশের বৃহৎ শিল্প খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে। সরকারের সহায়তা এবং ঋণ সহায়তা নিশ্চিত হলে বেক্সিমকো টেক্সটাইলস তাদের উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় সচল রাখতে সক্ষম হবে, যা দেশের রপ্তানি খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, সংকটের গভীরতা বিবেচনায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।




আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

Feb 26, 2025

রোজা রাখার শারীরিক উপকারিতা

 

benifits for ramadan


রোজা রাখার শারীরিক উপকারিতা


রোজা শুধু ধর্মীয় অনুশীলন নয়, এটি আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হলো রোজা, যা বছরের নির্দিষ্ট একটি সময় মুসলমানদের জন্য পালন করা ফরজ। তবে শুধুমাত্র ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণাগুলোও প্রমাণ করেছে যে, রোজা আমাদের শরীরের জন্য বহু উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজা রাখলে শরীরের কী কী উপকার হয়।


১. ওজন কমাতে সাহায্য করে

বর্তমান সময়ে অতিরিক্ত ওজন এবং স্থূলতা (Obesity) অন্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোজা রাখার ফলে শরীর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে জমে থাকা চর্বি (Fat) ও ক্যালোরি পোড়াতে শুরু করে। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং অতিরিক্ত মেদ কমে যায়। বিশেষ করে, নিয়মিত রোজা রাখলে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের (Intermittent Fasting) মতো কার্যকারিতা দেখা যায়, যা ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত উপকারী।


২. হজমশক্তি উন্নত করে

আমাদের হজমতন্ত্র সারাদিন কর্মক্ষম থাকে, যা মাঝে মাঝে বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। রোজার মাধ্যমে আমাদের পরিপাকতন্ত্র কিছুটা বিশ্রাম পায় এবং হজমশক্তি উন্নত হয়। দীর্ঘ সময় না খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর অম্ল উৎপাদন কমে, যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হ্রাস করতে সাহায্য করে।


৩. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণে অনেকের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে। রোজা রাখলে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা (Insulin Sensitivity) বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়।


৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

রোজা আমাদের হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারী। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত রোজা রাখেন, তাদের শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বাড়ে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা কমে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।


৫. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে

রোজা রাখার ফলে ব্রেন ড্রাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (BDNF) নামে এক ধরনের প্রোটিন বৃদ্ধি পায়, যা মস্তিষ্কের কোষগুলোর সংযোগ স্থাপন ও নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে। ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং একাগ্রতা বাড়ে।


৬. শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে (ডিটক্সিফিকেশন)

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে বিভিন্ন টক্সিন (Toxin) জমে যায়। রোজার মাধ্যমে শরীর নিজে থেকেই এই বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করে দেয়, যা লিভার ও কিডনির জন্য ভালো। ফলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।


৭. প্রদাহ কমায় (Anti-Inflammatory Effect)

দেহে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ (Chronic Inflammation) থাকলে তা ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং ক্যানসারের মতো জটিল রোগের কারণ হতে পারে। রোজা প্রদাহজনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।


৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

রোজা রাখলে শরীরের সেলগুলো নতুনভাবে গঠিত হয় এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) শক্তিশালী হয়। ফলে সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে শরীর লড়াই করতে পারে।


৯. মানসিক প্রশান্তি ও ধৈর্য বৃদ্ধি করে

খাবারের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ও ধৈর্য বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, দীর্ঘ সময় উপবাস থাকার ফলে মন শান্ত থাকে, যা মানসিক চাপ (Stress) ও উদ্বেগ (Anxiety) কমাতে সহায়তা করে।


১০. দীর্ঘায়ু হতে সাহায্য করে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রোজার মতো উপবাস পদ্ধতি দেহকোষের পুনর্জীবন প্রক্রিয়াকে (Cell Regeneration) ত্বরান্বিত করে এবং দীর্ঘায়ু লাভে সাহায্য করে। এতে বার্ধক্যজনিত সমস্যা কমে এবং দেহ তরুণ ও সুস্থ থাকে।


উপসংহার

রোজা শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং স্বাস্থ্যগতভাবেও এটি অত্যন্ত উপকারী। এটি ওজন কমানো, হজম শক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগ প্রতিরোধ, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানো এবং মানসিক প্রশান্তি লাভে সহায়তা করে। তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত রোজা রাখা একটি ভালো অভ্যাস হতে পারে।


আল্লাহ আমাদের সকলকে রোজার স্বাস্থ্যগত ও আধ্যাত্মিক উপকারিতা লাভের তৌফিক দান করুন। আমিন।



আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

খালি পেটে পানি পান করার উপকারীতা।

 

benifits drinking water
খালি পেটে পানি পান করা-ai photo


ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। 

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সারারাত ঘুমানোর পর আমাদের শরীর কয়েক ঘণ্টা পানি ছাড়া থাকে, ফলে শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। সকালে খালি পেটে পানি পান করলে শরীর দ্রুত পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য পায়।

এটি একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যা অনেক উপকার বয়ে আনে। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা দেওয়া হলো—

১. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

রাতভর ঘুমের পর পানি পান করলে পাকস্থলীর কার্যকারিতা ভালো হয় এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।

সকালে পানি পান করলে পাকস্থলী পরিষ্কার হয় এবং হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। এতে খাবার সহজে হজম হয় এবং গ্যাস, অম্বল বা বদহজমের সমস্যা কমতে পারে। যারা নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাদের জন্যও এটি বেশ উপকারী।

২. শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে

রাতে ঘুমানোর সময় শরীরে নানা ধরনের বর্জ্য পদার্থ জমা হয়। 

রাতভর শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিন পানি পান করার মাধ্যমে কিডনির সাহায্যে সহজেই বের হয়ে যায়।

সকালে পানি পান করলে কিডনির কার্যক্রম সক্রিয় হয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন সহজে বের হয়ে যায়। এতে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে।


৩. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

খালি পেটে পানি পান করলে অন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো হয়, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমে যায়।

অনেকেই সকালে পেট পরিষ্কার না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। খালি পেটে পানি পান করলে অন্ত্রের কার্যক্রম সচল হয়, ফলে মলত্যাগ সহজ হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।

৪. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়

পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে, যা ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখে।এতে ত্বক শুষ্ক হয় না, ব্রণ কমে এবং ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়। নিয়মিত সকালে পানি পান করলে ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা বজায় থাকে।

৫. বিপাক ক্রিয়া (Metabolism) বাড়ায়

সকালে পানি পান করলে শরীরের বিপাক ক্রিয়া দ্রুত হয়। ফলে ক্যালরি দ্রুত বার্ন হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য এটি একটি কার্যকর অভ্যাস হতে পারে।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

খালি পেটে পানি পান করলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়, অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয় এবং সর্দি-কাশি বা সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।

৭. কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখে

পানি কিডনিকে শরীরের অতিরিক্ত লবণ ও বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে। আর পর্যাপ্ত পানি পান করলে কিডনি ভালোভাবে কাজ করে। সকালে পানি পান করলে কিডনি আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৮. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

ডিহাইড্রেশন হলে মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও মনোযোগ কমে যায়। শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকলে মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করে, সকালে পানি পান করলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে, মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং কাজের শক্তি পাওয়া যায়।

৯. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

সকালে পানি পান করলে রক্তচাপের ভারসাম্য রক্ষা হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।


কতটুকু পানি পান করবেন?


 সকালে ঘুম থেকে উঠে ১-২ গ্লাস (প্রায় ২৫০-৫০০ মি.লি.) কুসুম গরম পানি পান করাই সবচেয়ে উপকারী। তবে হঠাৎ অনেক বেশি পানি না খাওয়াই ভালো। একেবারে বেশি পানি পান না করে ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে তুলুন।

আপনি কি এই অভ্যাসটি অনুসরণ করেন?

তথ্যসূত্র: WHO, Mayo Clinic, Harvard Medical School, NIH


আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

মানসিক ডিপ্রেশন: Depression in Bangla

 

Depression in Bangla


ডিপ্রেশন: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার | Depression in Bangla


ডিপ্রেশন কী?

ডিপ্রেশন (Depression) একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা মানুষের অনুভূতি, চিন্তা ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে। এটি কেবল দুঃখের অনুভূতি নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী হতাশা ও অনুপ্রেরণার অভাবে পরিণত হতে পারে।


ডিপ্রেশনের কারণ:

ডিপ্রেশন একাধিক কারণে হতে পারে, যেমন—
✔ মানসিক চাপ: চাকরি হারানো, সম্পর্কের সমস্যা, আর্থিক অনিশ্চয়তা।
✔ জেনেটিক কারণ: পারিবারিক ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি।
✔ হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা: গর্ভাবস্থা, মেনোপজ, থাইরয়েড সমস্যা।
✔ মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন: সেরোটোনিন ও ডোপামিনের ভারসাম্যহীনতা।
✔ মাদক ও অ্যালকোহল: অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে।


ডিপ্রেশনের লক্ষণ:

✅ দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকা
✅ আগ্রহ হারিয়ে ফেলা
✅ ঘুমের সমস্যা (অতিরিক্ত বা কম ঘুম)
✅ ক্লান্তি ও শক্তির অভাব
✅ আত্মবিশ্বাসের অভাব
✅ আত্মহত্যার চিন্তা


ডিপ্রেশনের প্রতিকার:

✔ সাইকোথেরাপি (CBT, টক থেরাপি)
✔ ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণ
✔ নিয়মিত ব্যায়াম ও মেডিটেশন
✔ পর্যাপ্ত ঘুম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
✔ পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সহযোগিতা


ডিপ্রেশন হলে কী করবেন?

প্রথমেই পেশাদার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনের কথা কাছের মানুষকে বলুন।

ধূমপান, মদ্যপান ও মাদকের অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।



শেষ কথা

ডিপ্রেশন হলে দেরি না করে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন। মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ থাকলে জীবন সুন্দর হয়। আপনি একা নন—সহযোগিতা চাইতে দ্বিধা করবেন না!



আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

Feb 25, 2025

তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ: নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতি

 

nahid-islam-resignation

ছবি সংগ্রহীত


তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ


তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুরে তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন।


পদত্যাগের পেছনের কারণ

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের মূল কারণ হিসেবে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব গ্রহণের বিষয়টি সামনে এসেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি মিলে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পরিকল্পনা করছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন নাহিদ ইসলাম। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দলের ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।


নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক পথচলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক ছাত্র নাহিদ ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলে তাঁকে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।


পদত্যাগের রাজনৈতিক প্রভাব

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর নতুন রাজনৈতিক দল কীভাবে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে কাজ করার প্রতিশ্রুতি নতুন দলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে পারে।


নতুন তথ্য উপদেষ্টা নিয়ে জল্পনা

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর নতুন তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে কে নিযুক্ত হবেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই নতুন তথ্য উপদেষ্টার নাম প্রকাশ করা হবে।


উপসংহার

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ শুধুমাত্র প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি দেশের রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তাঁর নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল কতটা প্রভাব ফেলবে এবং ভবিষ্যতে দেশীয় রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে, তা সময়ই বলে দেবে।



ভারতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও চীনের উত্থান

india-economic-challenges-trump-china


 ভারতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও চীনের উত্থান

এক সময় ভারতের শেয়ার বাজার বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় ছিল। তবে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাব ভারতের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।


** বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা ও পুঁজি প্রত্যাহার

শেয়ার বাজার থেকে পুঁজি প্রত্যাহারের হার বাড়ছে, যার পেছনে রয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক কারণ। ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪১৮ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এছাড়া ভূরাজনৈতিক বিভাজন বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে, যা উদীয়মান অর্থনীতির জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।


** ট্রাম্পের নীতির প্রভাব

বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারীরা আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন, যা এক ধরনের বাণিজ্য যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর ফলে ভারতীয় বাজার থেকে অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী তাদের অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন।


** চীনের বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল

অন্যদিকে, চীন নতুন বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট শীর্ষ ব্যবসায়ীদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, যা চীনের বাজারকে বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তুলনামূলকভাবে কম দামে শেয়ার কেনার সুযোগ থাকায় বিনিয়োগকারীরা ভারতের শেয়ার বিক্রি করে চীনে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন।


ভারতের অর্থনীতি বর্তমানে বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনা, বিনিয়োগের নিম্নগতি এবং ভূরাজনৈতিক বিভাজনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি এবং চীনের বিনিয়োগবান্ধব কৌশল ভারতের বাজার থেকে পুঁজি প্রত্যাহারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নীতি, যা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এবং বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।


Feb 24, 2025

মহানবী (সাঃ) যেভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন

ramadan-preparation-of-prophet-muhammad


 মহানবী (সাঃ) যেভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন


রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র একটি মাস। এই মাসে রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছে এবং এটি আত্মশুদ্ধির মাস হিসেবে বিবেচিত। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের আগমনের পূর্বেই বিশেষ প্রস্তুতি নিতেন, যা আমাদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আসুন জেনে নেই, তিনি কীভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন।


১. রজব ও শাবান মাস থেকে প্রস্তুতি শুরু করা

মহানবী (সাঃ) রমজানের প্রস্তুতি নিতে শাবান মাস থেকেই বেশি পরিমাণে নফল রোজা রাখতেন। হাদিসে এসেছে,

আয়িশা (রাঃ) বলেন:

"আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে শাবান মাসের চেয়ে অধিক কোনো মাসে রোজা রাখতে দেখিনি।" (বুখারি, মুসলিম)


২. দোয়া করা

নবী করিম (সাঃ) রমজানের আগে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন, যাতে তিনি এ মাস পর্যন্ত পৌঁছতে পারেন এবং তা যথাযথভাবে পালন করতে পারেন। সাহাবাগণ রজব মাস থেকেই এই দোয়া করতেন—

"হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।" (মুসনাদ আহমদ)


৩. ইবাদত ও কোরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা

রমজানের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে মহানবী (সাঃ) ইবাদতের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন, বিশেষত কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা এবং তাহাজ্জুদ নামাজের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। তিনি সাহাবীদেরও বেশি বেশি ইবাদত করার উপদেশ দিতেন।


৪. দান-সদকা করা

রমজানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মহানবী (সাঃ) প্রচুর দান করতেন। হাদিসে এসেছে,

"রাসূল (সাঃ) সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন এবং রমজানে দানের মাত্রা আরও বৃদ্ধি করতেন।" (বুখারি, মুসলিম)


৫. আত্মশুদ্ধি ও চরিত্র গঠনের উপর গুরুত্ব দেওয়া

মহানবী (সাঃ) রমজানের আগেই তার চরিত্রের উন্নতি করতেন এবং সাহাবীদেরও তা করতে উৎসাহ দিতেন। তিনি মিথ্যা, প্রতারণা, খারাপ ভাষা ও রাগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পরামর্শ দিতেন।


৬. শরীরকে রোজার জন্য প্রস্তুত করা

নবী (সাঃ) ধীরে ধীরে নফল রোজার মাধ্যমে তার শরীরকে রমজানের দীর্ঘ উপবাসের জন্য প্রস্তুত করতেন। এতে রমজানের রোজা রাখা সহজ হয়ে যেত।


৭. সাহাবীদের রমজানের গুরুত্ব বোঝানো

তিনি রমজানের আগে সাহাবীদের জ্ঞান দিতেন এবং তাদের প্রস্তুতি নিতে উদ্বুদ্ধ করতেন। তিনি বলতেন,

"তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান এসেছে। এতে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।" (সহিহ মুসলিম)

উপসংহার

মহানবী (সাঃ) রমজানের জন্য কেবল শারীরিক নয়, বরং আত্মিক ও মানসিক প্রস্তুতিও নিতেন। আমাদেরও উচিত তার অনুসরণ করে আগেভাগেই ইবাদত, দান-সদকা এবং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে রমজানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই পবিত্র মাসের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

১৬ বছর পর খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

khulna-bnp-conference-after-16-years
ছবি সংগ্রহীত
 

 ১৬ বছর পর খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত  


দীর্ঘ ১৬ বছর পর খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, যশোর বিএনপি নেতা সাবেরুল ইসলাম সাবু, কাজী আলাউদ্দিন ও আমিরুল ইসলাম কাগজী।  


অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সাবেক এমপি সৈয়দা নার্গিস আলী, জেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মন্টু, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবীর, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বাবু, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল এবং খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান প্রমুখ।  


সম্মেলনে খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক রিপোর্ট উপস্থাপন করেন সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা রেহানা ঈসা। বিকেলে জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়ামে কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।  


দলীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই তিনটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২ জন।  


**সভাপতি পদে প্রার্থীরা:**  

- এস এম শফিকুল আলম মনা (বর্তমান আহ্বায়ক)  

- তরিকুল ইসলাম জহির (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক)  

- সাহাজী কামাল টিপু (দৌলতপুর থানা বিএনপির সদস্য)  


**সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা:**  

- শফিকুল আলম তুহিন (মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব)  

- কাজী মাহমুদ আলী (যুগ্ম আহ্বায়ক)  

- নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর (মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক)  


**সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থীরা:**  

- মাসুদ পারভেজ বাবু (মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি)  

- শেখ সাদী (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি)  

- মাহবুব হাসান পিয়ারু (মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি)  

- শের আলম সান্টু (যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক)  

- হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ (সাবেক ছাত্রদল নেতা)  

- তারিকুল ইসলাম তারেক  


এর মধ্যে তারেক ছাড়া বাকি সবাই বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। তবে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর অনুসারীদের কেউ প্রার্থী হননি।  


উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর খুলনা মহানগর বিএনপির ৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয় এবং ২০২২ সালের ১ মার্চ ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ড, ৩টি ইউনিয়ন ও ৫টি থানায় সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্মেলনের পর মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ১৫১ সদস্যের করা হবে।  


এর আগে খুলনা মহানগর বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৫ নভেম্বর।



Feb 23, 2025

জেদ্দা যাচ্ছেন মেহজাবীনের সিনেমা

bangla cinema in jeddah
 

জেদ্দা যাচ্ছেন মেহজাবীনের সিনেমা: বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি


বাংলাদেশি চলচ্চিত্র দিন দিন নতুন নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, আর এর অন্যতম প্রমাণ হলো জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত একটি সিনেমার আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। এবার সৌদি আরবের জেদ্দা চলচ্চিত্র উৎসবে এই সিনেমাটি প্রদর্শিত হতে চলেছে, যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন।


সিনেমার গল্প ও নির্মাণশৈলী

এই সিনেমার গল্প বাস্তব জীবনের একটি অনুপ্রেরণামূলক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। এটি পরিচালনা করেছেন খ্যাতনামা নির্মাতা, যিনি এর আগে আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত বেশ কয়েকটি সিনেমা তৈরি করেছেন। মেহজাবীন তার চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন এক মাত্রা যোগ করেছেন, যা দর্শকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলবে।


কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

এই সিনেমার জেদ্দা চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি সিনেমা প্রদর্শনের অর্থ হচ্ছে আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প ধীরে ধীরে বৈশ্বিক বাজারে জায়গা করে নিচ্ছে।


মেহজাবীনের অভিব্যক্তি

এই সাফল্য সম্পর্কে মেহজাবীন বলেন, "আমার অভিনয় জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটি। আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে বাংলাদেশি সিনেমাকে উপস্থাপন করতে পারা সত্যিই গর্বের বিষয়।"

এছাড়াও, তিনি তার সহ-অভিনেতা ও পরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং দর্শকদের সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


ভবিষ্যতের সম্ভাবনা

এই অর্জন নিঃসন্দেহে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র জগতের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। এটি প্রমাণ করে যে, আমাদের সিনেমাগুলো আন্তর্জাতিক মানের এবং ভবিষ্যতে আরও বড় চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে।

এই ধরনের সাফল্য নতুন নির্মাতাদের উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে বাংলাদেশের সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে।


আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন, বাংলাদেশের আরও সিনেমা এভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছানো উচিত? কমেন্টে জানান!


কোটা আন্দোলনের সমন্বয়ক কুপিয়ে জখম

Kupiye jokhom
 ছবি সংগ্রহীত 
 

কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কে কুপিয়ে জখম


ঠাকুরগাঁওয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক কবিরুল ইসলাম জয় (২৯) দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভুল্লী থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। বর্তমানে তিনি ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আহত কবিরুল ইসলাম জয় ঠাকুরগাঁও জেলার ভুল্লী থানার কেশরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ও মৃত মতিউর রহমানের ছেলে।

হামলার ঘটনা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জয় ঢাকায় চোখের চিকিৎসা শেষে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে ঠাকুরগাঁও বাস টার্মিনালে পৌঁছান। সেখান থেকে অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে দুটি মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও মারধর করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

চিকিৎসা পরিস্থিতি

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার রাকিবুল ইসলাম চয়ন জানান, জয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাকে বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি ৪৮ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

জয়ের বক্তব্য

আহত জয় জানান, তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। ফেরার পথে রাত ২টার দিকে একজন তাকে ফোন করে অবস্থান জানতে চায়। পরে তিনি জানান যে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রয়েছেন। ভোর ৫টার দিকে ভুল্লী এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে দেশীয় ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং তার সঙ্গে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়।

তিনি বলেন, "আমি হামলাকারীদের চিনতে পারিনি, তবে তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালিয়েছিল। আমি এর সঠিক বিচার চাই।"

তদন্ত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, "আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।"

Feb 22, 2025

২০২৫ রমজানের ক্যালেন্ডার - ramadan 2025 calendar


ramadan 2025 calendar

২০২৫ রমজানের ক্যালেন্ডার


ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৪৪৬ হিজরির রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, এবারের পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে আগামী ২ বা ৩ মার্চ ২০২৫। তবে, রমজান শুরুর তারিখ ২ মার্চ ধরে ঢাকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সময়সূচি অনুযায়ী, ২ মার্চ প্রথম রমজানে ঢাকায় সেহরির শেষ সময় ভোর ৫টা ৪ মিনিট এবং ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিট। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতার করবেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি পাওয়া যাবে।

সেহরির শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট আগে ধরা হয়েছে এবং ফজরের ওয়াক্ত শুরুর সময় সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট পরে রাখা হয়েছে। ইফতারের সময় সূর্যাস্তের পর সতর্কতামূলকভাবে ৩ মিনিট বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে।

সঠিক ও বিস্তারিত সময়সূচির জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শন করতে পারেন।

রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা


রমজান তারিখ বার সেহরির শেষ ইফতার
১ ২মার্চ রবিবার ৫.০৩ ৬.০২
২ ৩মার্চ সোমবার ৫.০২ ৬.০৩
৩ ৪মার্চ মঙ্গলবার ৫.০১ ৬.০৩
৪ ৫মার্চ বুধবার ৫.০১ ৬.০৪
৫ ৬মার্চ বৃহস্পতিবার ৫.০০ ৬.০৪
৬ ৭মার্চ শুক্রবার ৪.৫৯ ৬.০৫
৭ ৮মার্চ শনিবার ৪.৫৮ ৬.০৫
৮ ৯মার্চ রবিবার ৪.৫৭ ৬.০৬
৯ ১০মার্চ সোমবার ৪.৫৬ ৬.০৬
১০ ১১মার্চ মঙ্গলবার ৪.৫৫ ৬.০৬
১১ ১২মার্চ বুধবার ৪.৫৪ ৬.০৭
১২ ১৩মার্চ বৃহস্পতিবার ৪.৫৩ ৬.০৭
১৩ ১৪মার্চ শুক্রবার ৪.৫২ ৬.০৮
১৪ ১৫মার্চ শনিবার ৪.৫১ ৬.০৮
১৫ ১৬মার্চ রবিবার ৪.৫০ ৬.০৮
১৬ ১৭মার্চ সোমবার ৪.৪৯ ৬.০৯
১৭ ১৮মার্চ মঙ্গলবার ৪.৪৮ ৬.০৯
১৮ ১৯মার্চ বুধবার ৪.৪৭ ৬.১০
১৯ ২০মার্চ বৃহস্পতিবার ৪.৪৬ ৬.১০
২০ ২১মার্চ শুক্রবার ৪.৪৫ ৬.১০
২১ ২২মার্চ শনিবার ৪.৪৪ ৬.১১
২২ ২৩মার্চ রবিবার ৪.৪৩ ৬.১১
২৩ ২৪মার্চ সোমবার ৪.৪২ ৬.১১
২৪ ২৫মার্চ মঙ্গলবার ৪.৪১ ৬.১২
২৫ ২৬মার্চ বুধবার ৪.৪০ ৬.১২
২৬ ২৭মার্চ বৃহস্পতিবার ৪.৩৮ ৬.১৩
২৭ ২৮মার্চ শুক্রবার ৪.৩৭ ৬.১৩
২৮ ২৯মার্চ শনিবার ৪.৩৬ ৬.১৪
২৯ ৩০মার্চ রবিবার ৪.৩৫ ৬.১৪
৩০ ৩১মার্চ সোমবার ৪.৩৩ ৬.১৫
আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

Feb 20, 2025

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

"Natural hair care ingredients for preventing hair loss, including coconut oil, aloe vera, fenugreek seeds, and an egg mask, arranged on a wooden surface. In the background, a woman with long, healthy hair gently massages oil into her scalp in a warm, natural setting."

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

 চুল পড়া বন্ধ করার উপায় : কার্যকরী পরামর্শ ও সমাধান


চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা, যা পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। এটি জিনগত কারণ, দূষণ, পুষ্টির অভাব, মানসিক চাপ, ও অনিয়মিত জীবনধারার কারণে হতে পারে। তবে কিছু ঘরোয়া ও চিকিৎসাগত পদ্ধতি অনুসরণ করলে চুল পড়া রোধ করা সম্ভব।


১. সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করুন:

শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই ঝরে যায়। তাই চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিচের পুষ্টিগুলো নিশ্চিত করুন—

* প্রোটিন: ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম

* বায়োটিন: ডিমের কুসুম, কলা, গাজর

* ভিটামিন এ, সি, ডি, ই: সবুজ শাকসবজি, গাজর, কমলা, বাদাম

* আয়রন ও জিঙ্ক: পালং শাক, মাংস, ডাল, চিয়া সিড


২. চুলের যত্ন নিন:

* নিয়মিত চুল পরিষ্কার করুন

* ধুলাবালি ও অতিরিক্ত তেল চুলের গোড়ায় জমলে তা দুর্বল হয়ে যায়।

* সালফেট-মুক্ত মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

* সপ্তাহে ২-৩ বার শ্যাম্পু করুন।

* তেল ম্যাসাজ করুন

* তেল চুলের গোড়া মজবুত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।

* নারকেল তেল: চুলের বৃদ্ধি ও মজবুতিতে সাহায্য করে।

* অলিভ অয়েল: চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখে।

* অ্যামলা ও ক্যাস্টর অয়েল: নতুন চুল গজাতে সহায়ক।

* অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার এড়িয়ে চলুন

* অতিরিক্ত হেয়ার কালার, স্ট্রেইটেনিং, বা ব্লো-ড্রাই চুলের ক্ষতি করে।

* কম তাপমাত্রায় হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করুন।


৩. ঘরোয়া প্রতিকার:

***মেথির প্যাক

মেথি ভিজিয়ে পেস্ট বানিয়ে মাথায় লাগান, ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।


***ডিমের হেয়ার মাস্ক

ডিমের সাদা অংশ ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।


***অ্যালোভেরা জেল

সরাসরি চুলের গোড়ায় লাগান, এটি চুলের শুষ্কতা দূর করে।


৪.মানসিক চাপ কমান:

# ধ্যান ও যোগব্যায়াম করুন।

# পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।

# অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।


৫. চিকিৎসা পরামর্শ নিন:


যদি চুল পড়া খুব বেশি হয়, তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। চিকিৎসার জন্য—


**  মিনোক্সিডিল স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।


**  পিআরপি থেরাপি কার্যকর হতে পারে।


শেষ কথা:

চুল পড়া রোধের জন্য নিয়মিত চুলের যত্ন নিতে হবে এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রাকৃতিক উপায় ও সঠিক জীবনধারা অনুসরণ করলে চুল পড়া অনেকাংশে কমানো সম্ভব।



আরো পড়ুন
রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা
গরমের দিনে যেসব ফল থাকা চাই আপনার খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিন একটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

২০২৫ সালের সরকারি ছুটির তালিকা

 

sorkari chutir talika 2025

২০২৫ সালের সরকারি ছুটির তালিকা

২০২৫ সালের সরকারি ছুটির তালিকা

সাধারণ ছুটি

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
২৬ মার্চ বুধবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
৩১ মার্চ* সোমবার ঈদুল ফিতর
১ মে বৃহস্পতিবার মে দিবস
৭ জুন* শনিবার ঈদুল আজহা
১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিজয় দিবস
২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বড়দিন

নির্বাহী আদেশে ছুটি

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
১৫ ফেব্রুয়ারি* শনিবার শবে বরাত
২৮ মার্চ* শুক্রবার শবে কদর
১৪ এপ্রিল সোমবার বাংলা নববর্ষ

ঐচ্ছিক ছুটি (মুসলিম পর্ব)

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
২৮ জানুয়ারি* মঙ্গলবার শবে মেরাজ
৬ জুলাই* রবিবার আশুরা

ঐচ্ছিক ছুটি (হিন্দু পর্ব)

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সরস্বতী পূজা
১৪ মার্চ শুক্রবার দোলযাত্রা

ঐচ্ছিক ছুটি (খ্রিস্টান পর্ব)

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
১ জানুয়ারি বুধবার ইংরেজি নববর্ষ
২০ এপ্রিল রবিবার ইস্টার সানডে

ঐচ্ছিক ছুটি (বৌদ্ধ পর্ব)

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
১১ মে* রবিবার বুদ্ধ পূর্ণিমা

ঐচ্ছিক ছুটি (পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য নৃ-গোষ্ঠী)

তারিখ দিবস উপলক্ষ্য
১২ এপ্রিল শনিবার বৈসাবি উৎসব

* চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল

Feb 18, 2025

চার জেলার এসপি প্রত্যাহার,

Char jelar oc prottahar

 

চার জেলার এসপি প্রত্যাহার,
 মঙ্গলবার সদর দপ্তরে রিপোর্টের নির্দেশ

যশোর, নীলফামারী, কক্সবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার পুলিশের একটি বিশেষ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রত্যাহারের নির্দেশ

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইনামুক হক সাগর জানান, প্রত্যাহার হওয়া চার জেলার এসপিকে মঙ্গলবার (আগামীকাল) পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত পৃথক নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

যে চার এসপিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সুপাররা হলেন—

যশোর জেলার এসপি জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ

নীলফামারী জেলার এসপি মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম

কক্সবাজার জেলার এসপি মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ

সুনামগঞ্জ জেলার এসপি আ. ফ. ম. আনোয়ার হোসেন খান

পরবর্তী করণীয়

সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা নিজ নিজ জেলার পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে উপস্থিত হবেন। তবে কেন তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

পাসপোর্ট করতে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না

পাসপোর্ট করতে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না

passport police verification cancel


বাংলাদেশ সরকার পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে পাসপোর্ট পেতে আর পুলিশের ভেরিফিকেশন লাগবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে নাগরিকরা আরও সহজে এবং দ্রুত পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

পাসপোর্ট পাওয়া নাগরিক অধিকার

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, "পাসপোর্ট পাওয়া নাগরিকদের মৌলিক অধিকার।" তাই পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার (তারিখ) তাঁর জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পরে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আজ জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

কীভাবে কার্যকর হবে এই নতুন ব্যবস্থা?

সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে, নাগরিকদের পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। এখন পর্যন্ত পুলিশ ভেরিফিকেশন একটি দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করত, যার ফলে অনেক সময় পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হতো। নতুন এই নিয়মে আবেদনকারীদের আর পুলিশের যাচাইপ্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

জেলা প্রশাসকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।" এছাড়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাব

এই পরিবর্তন নাগরিকদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হতে যাচ্ছে। যাঁরা বিদেশে চাকরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য পাসপোর্ট করতে চান, তাঁদের জন্য এটি একটি বড় স্বস্তির খবর। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে অনেকের পাসপোর্ট পেতে দেরি হতো, এমনকি অনেকে হয়রানিরও শিকার হতেন।

সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে, বাংলাদেশে পাসপোর্ট পেতে আগের তুলনায় অনেক কম সময় লাগবে এবং প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়ে যাবে।

আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন এই পরিবর্তন নাগরিকদের জন্য ইতিবাচক হবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান!

লাদেনকে হত্যা করা সেই মার্কিন কর্মকর্তা এখন গাঁজা বিক্রেতা

লাদেনকে হত্যা করা সেই মার্কিন কর্মকর্তা এখন গাঁজা বিক্রেতা


laden killer sells cannabis

 


২০১১ সালে পাকিস্তানে এক বিশেষ অভিযানে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। ৯/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত লাদেনকে সেসময় গুলি করেছিলেন মার্কিন নেভি সীল বিভাগের কর্মকর্তা রবার্ট ও’নেইল। অবসরের পর তিনি এখন নিউইয়র্কে গাঁজা বিক্রির ব্যবসা শুরু করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘অপারেটর কানা কো’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন রবার্ট ও’নেইল, যা রাষ্ট্রীয় অনুমোদনপ্রাপ্ত গাঁজা বিক্রি করে। নিউইয়র্ক শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে তার প্রতিষ্ঠানের গাঁজা পাওয়া যাবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই ব্যবসার মাধ্যমে শুধু লাভ করাই নয়, আহত সাবেক মার্কিন সেনাদের সহায়তা করাও তার লক্ষ্য। ব্যবসার মুনাফার একটি অংশ তিনি দাতব্য সংস্থায় দান করবেন, যা যুদ্ধক্ষতিগ্রস্ত প্রাক্তন সেনাদের সহায়তায় কাজ করে।

রবার্ট ও’নেইল বলেন, "আমি সামরিক বাহিনীর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে গাঁজা ব্যবসায় যুক্ত হতে চেয়েছিলাম। আমি অনেককে পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের (PTSD) মতো মানসিক সমস্যায় ভুগতে দেখেছি। এটি শুধু ব্যবসা নয়, বরং তাদের সহায়তার একটি ভালো উপায়ও।" 


Feb 17, 2025

রমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা

 

healthy food for ramadanরমজানে কী খাবার খাওয়া উচিত? – স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা


রমজান মাস আত্মশুদ্ধির পাশাপাশি আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনেরও একটি সুযোগ। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা বা দুর্বলতা আসতে পারে, তাই পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক খাবার বেছে নিলে সারাদিন শক্তি ধরে রাখা সম্ভব এবং সুস্থ থাকা যায়।


সেহরিতে কী খাবেন?


সেহরি হলো দিনের গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার, যা সারাদিন শক্তি জোগাবে। তাই এমন খাবার খাওয়া উচিত যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখবে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে।


সেহরির পুষ্টিকর খাবার:

1. জটিল কার্বোহাইড্রেট: ওটস, লাল চালের ভাত, আটার রুটি ইত্যাদি ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে।

2. প্রোটিন: ডিম, দুধ, দই, মাছ, মুরগি, ডাল – যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।

3. ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার: শাক-সবজি, ফলমূল যেমন কলা, আপেল, খেজুর ইত্যাদি।

4. পর্যাপ্ত পানি: ২-৩ গ্লাস পানি পান করুন, যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না হয়।

5. স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: বাদাম, অলিভ অয়েল, দই – যা শক্তির ভালো উৎস।


সেহরিতে যে খাবার এড়িয়ে চলবেন:

#  অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার (আচার, চিপস) – এটি শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে।

#  ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা, কফি) – বেশি খেলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে।

# অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার – এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।


ইফতারে কী খাবেন?


সারা দিন রোজা রাখার পর শরীর হাইড্রেট করা এবং শক্তি পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। তাই ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া উচিত।


** ইফতারের পুষ্টিকর খাবার:

1. খেজুর: এটি দ্রুত শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য ঠিক রাখে।

2. পানি / শরবত: সাধারণ পানি, লেবুর শরবত, ডাবের পানি পান করুন।

3. ফলমূল: তরমুজ, কমলা, পেঁপে, আঙুর – যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।

4. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: ছোলা, ডাল, দই, ডিম, চিকেন সালাদ ইত্যাদি।

5. হালকা খাবার: সবজির স্যুপ, চিকেন ব্রথ, দই চিড়া ইত্যাদি।


** ইফতারে যে খাবার এড়িয়ে চলবেন:

1. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া (পেঁয়াজু, বেগুনি, সমুচা) – বেশি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

2. চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার – এটি দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা শরীরের জন্য ভালো নয়।

3. অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় – এটি পাকস্থলীতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।


** রাতের খাবার ও তারাবির পর করণীয়

ইফতারের পর রাতের খাবারেও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। ভাত, মাছ, মাংস, শাক-সবজি ও ডাল খাওয়া যেতে পারে। তবে খুব ভারী খাবার না খাওয়াই ভালো।


তারাবির নামাজের পর ১-২ গ্লাস পানি পান করুন এবং বাদাম বা ফল খেতে পারেন।


উপসংহার


রমজানে সুস্থ থাকতে হলে সঠিক খাবার খাওয়া জরুরি। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সেহরি ও ইফতারে পুষ্টিকর খাবার খেলে আপনি সারাদিন সুস্থ ও সতেজ থাকতে পারবেন।





অভিনেতা শাহবাজ সানীর মৃত্যু - শোবিজ অঙ্গনে শোক

 অভিনেতা শাহবাজ সানীর মৃত্যু-শোবিজ অঙ্গনে শোক

actor shabaz sani

তরুণ অভিনেতা শাহবাজ সানি আর নেই


ছোট পর্দার তরুণ অভিনেতা শাহবাজ সানী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার দিবাগত রাত ৩টা ৩০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং একাধিক অভিনেতা ও নির্মাতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ফেসবুক পোস্টে অপূর্ব লিখেছেন,


"অভিনেতা শাহবাজ সানী আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সবাই সানীর জন্য দোয়া করবেন।"


এছাড়া নাট্য নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু ফেসবুকে লিখেছেন,


"আমার ভাই, অভিনেতা শাহবাজ সানী আর আমাদের মাঝে নেই। হাসপাতালে রাত ৩টা ৩০ মিনিটে সে ইন্তেকাল করেছে।"


অভিনয় জীবন


নির্মাতা ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় ‘কাছে আসার পর’ নাটকের মাধ্যমে শোবিজ জগতে পা রাখেন শাহবাজ সানী। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ছোট পর্দার পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। শুরুতে চরিত্রাভিনেতা হিসেবে কাজ করলেও পরবর্তীতে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রেও অভিনয় করেছেন।


২০১৮ সালে গোলাম কিবরিয়া ফারুকীর পরিচালনায় প্রথমবারের মতো ‘আবদুল্লাহ’ নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে—


***  ম্যাচ মেকার


*** আহারে মন


*** তুমি আছো হৃদয়ে


*** আনারকলি


অভিনয় জগতে তাঁর আকস্মিক প্রস্থান সহকর্মী ও ভক্তদের হৃদয়ে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


সকলেই তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন।


ঘুমের গুরুত্ব এবং প্রতিদিন কত ঘণ্টা ঘুমানো উচিত?


Featured Post

ডার্ক ওয়েব (Dark Web) কী? কীভাবে কাজ করে, কেন এটি বিতর্কিত এবং এর অজানা সত্য

  ডার্ক ওয়েব কী, কীভাবে কাজ করে, ডিপ ওয়েব ও সারফেস ওয়েবের পার্থক্য, এর বৈধ ব্যবহার, ঝুঁকি ও প্রচলিত ভুল ধারণা সম্পর্কে বিস্তারিত: ডার্ক ...

Popular Posts